মুজিব বন্দনার মূর্ছনা, নেশার শেষ কোথায়?
ঘটনার যেন শেষ হতেই চায়না একটার পর একটা লেগেই থাকে নেতাকে নিয়ে মাতামাতির দিবস আজ জন্মদিন তো কাল ভাষন দিবস, পরশু স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস তো তরশু ঘোষনা দিবস নেতাকে ঘিরে বছরজুড়েই চলতে থাকে একটার পর একটা আয়োজন শেখ মুজিবকে মাটির কবর হতে উঠিয়ে ঐশ্বরিক সৃষ্টিতে রূপান্তরিত করার চেষ্টা হয়ে দাঁড়িয়েছে আওয়ামী দেশ শাসনের মূল এজেন্ডা সহস্রাব্দের সেরা বাঙালী বানিয়ে দলটির গৃহপালিত বুদ্ধিজীবীরা **peiz
১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ড: ধানমণ্ডি বত্রিশের কাছেই ঘাতকের আস্তানা
উত্তরমুছুন* View
* Track
Fri, 11 Sep 2009 - 12:25pm | by Yasmeen Hossain
১৯৭৫-এর ঘাতক খন্দকার মোশতাক আহমেদ এখন জীবিত নেই। মুত্যুর পর বাংলাদেশের মাটি তার লাশ গ্রহণ করেনি। দেশের মানুষ তার কবরকে পর্যন্ত মেনে নেয়নি। কার্যত ঘাতক মোশতাক এবং তার কলঙ্কিত পরিবার এই বাঙলার মাটিতে নিষিদ্ধ। সে কারণে ’৭৫-এর ১৫ আগস্টের ঘাতক মোশতাক পরিবারের কোন লোক এদেশে নেই বলেই মানুষ জানে। কিন্তু মানুষ জানে না- অত্যন্ত গোপনে, নাম-পরিচয় আড়াল করে জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘাতক খন্দকার মোশতাকের ছেলে খন্দকার ইফতিয়াক আহমেদ চুটিয়ে এদেশে ব্যবসা করছেন। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, এ ব্যবসা চলছে ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরের একেবারে কাছেই ধানমণ্ডি ৪৯ নম্বরে।
৪৯ নম্বরের সাতমসজিদ রোডে “স্পিনাচ” নামের জাকজমকপূর্ণ রেস্টুরেন্ট দিয়ে খন্দকার মোশতাকের ছেলে খন্দকার ইফতিয়াক আহমদ অনেক দিন ধরে ব্যবসা করছেন। অবশ্য স্পিনাচের মালিক যে খন্দকার মোশতাকের ছেলে- একথা এখনও কেও জানেন না। আর এই সুযোগেই চুটিয়ে ব্যবসা করে যাচ্ছেন ঘাতক মোশতাকের ছেলে।
ধানমণ্ডি সাতমসজিদ রোড এলাকাটি বিশ্ববিদ্যালয়পাড়া হিসেবে খ্যাত। এই রোডে অসংখ্য প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে উঠেছে। হাজার হাজার ছাত্রছাত্রীর পদচারণায় প্রতিদিন মুখরিত থাকে এ রোড। এই ছাত্রছাত্রীসহ সাধারণ মানুষ না জেনেই প্রতিদিন মোশতাকের ছেলে খন্দকার ইফতিয়াক আহমদের সুসজ্জিত রেস্টুরেন্ট স্পিনাচে খাবারের জন্য যাতায়াত করছেন।
উল্লেখ্য, ঘাতক খন্দকার মোশতাক আহমদের ছেলে-মেয়ে দু’জন। মেয়ে ইংল্যান্ডে বসবাস করছে। আর ছেলে খন্দকার ইফতিয়াক আহমেদ বাংলাদেশে রাজধানী ঢাকার ধানমণ্ডিতে খোদ ৩২ নম্বরের কাছেই ব্যবসা করে যাচ্ছেন।