
উপরের ছবিটা দেখুন। আজকের প্রথম আলোতে প্রকাশিত এই ছবির সাথে দেয়া খবরটুকুও সাথে জুড়ে দেই-
সকালে পটলক্ষেতে গয়ে দেখলেন সব গাছের গোড়া কাটা
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার সিমলা গ্রামে গত মঙ্গলবার রাতে আট কৃষকের ছয় বিঘা জমির পটলগাছ কেটে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল বুধবার সকালে কৃষকেরা ক্ষেতে গিয়ে গোড়া কাটা পটলগাছ দেখে নির্বাক হয়ে যান। ঋণ করে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে তাঁরা অনেক যত্নে এই গাছ ফলিয়েছেন। কিন্তু ফসল ঘরে তোলার সময়ে দুর্বৃত্তরা তাঁদের এই সর্বনাশ করেছে।
জানা গেছে, দুর্বর্ৃত্তরা সিমলা গ্রামের ছয়জন কৃষকের ক্ষেতের পটল গাছের গোড়া কেটে দিয়েছে। এরা হলেন সিমলা রোকনপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবুল কাশেমের ১৬ শতক, বিএনপির কর্মী হাবিবুর রহমানের ১৭ শতক, আবু বক্কর বিশ্বাসের ৩৩ শতক, আবুল হোসেনের ৩৩ শতক, রহমত খন্দকারের ১৭ শতক, সিরাজ মণ্ডলের ১৭ শতক, মকবুল হোসেনের ১৫ শতক ও রবিউল ইসলামের ২০ শতক জমির ফসল কেটে দিয়েছে।
গতকাল সিমলা গ্রামে ওই কৃষকদের পটলক্ষেতে গিয়ে দেখা যায়, কোনো গাছেরই গোড়া অক্ষত নেই; ছয় বিঘা জমির সব গাছ কাটা। দরিদ্র কৃষক রবিউল কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, �আমাদের অপরাধ আমরা সবাই বিএনপির রাজনীতি করি। তাই আমাদের আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা গাছ কেটে দিয়েছে।
রবিউল জানান, ভিটাবাড়ি ছাড়া তাঁর কোনো জমি নেই। অন্যের কাছ থেকে ২০ শতক জমি বন্ধক নিয়ে ২০ হাজার টাকা ঋণ করে পটলের চাষ করেন। এখন তাঁর যে ক্ষতি হলো, তা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব নয়।
কাশেম জানান, সকালে তাঁরা পটলক্ষেতে গিয়ে দেখতে পান, সব গাছ কাটা। রাতে কে বা কারা গাছ কেটে দিয়েছে। তাঁর দাবি, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা তাঁদের নানাভাবে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। এর আগে আওয়ামী লীগের কর্মীরা তাঁদের বেশ কয়েকজন কর্মীকে মারধর করে। তাঁদের মধ্যে দুজন এখনো অসুস্থ হয়ে বিছানায় পড়ে আছেন।
কাশেম আরও দাবি করেন, তাঁদের জমির পাশের জমিগুলো আওয়ামী লীগের সমর্থকদের। তাঁরাও পটলের চাষ করেছেন। কিন্তু তাঁদের ক্ষেতগুলোর গাছ কাটা হলো না, শুধু বিএনপিকর্মীদের গাছ কাটা হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা বলেন, এ ব্যাপারে তাঁরা থানায় মামলা করতে ভয় পাচ্ছেন। তাঁরা অভিযোগ করেন, এর আগে মারপিট করে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার পরও পুলিশ তাঁদের মামলা নেয়নি। এখন মামলা দিতে গেলেও পুলিশ নেবে না; বরং প্রতিপক্ষরা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে বড় রকমের ক্ষতি করবে।
সিমলা রোকনপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নাজির উদ্দিন বলেন, �আগের মারধর ও গাছ কাটার ঘটনা রাতে ঘটেছে। কে বা কারা ওই ঘটনা ঘটিয়েছে, তা আমি জানি না। আওয়ামী লীগের কেউ ওই দুটি ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়।
যোগাযোগ করা হলে কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদি হাসান বলেন, �গাছ কাটার বিষয়ে আমাদের কেউ জানায়নি। মামলা প্রসঙ্গে বলেন, �কেউ যদি না আসে, আমরা গিয়ে তো মামলা করতে পারি না।
সূত্রঃ http://www.prothom-alo.com/index.news.d
যে সহশীলতা আর সৌন্দর্যের গুনে ইসলাম পৃথিবী জয় করেছিলো,
সেই সহনশীলতা আর সৌন্দর্য আজকের মুসলমানদের ভেতরে অনুপস্থিত! আফসোস!!
উপরের ছবিটা দেখুন। আজকের প্রথম আলোতে প্রকাশিত এই ছবির সাথে দেয়া খবরটুকুও সাথে জুড়ে দেই-
সকালে পটলক্ষেতে গিয়ে দেখলেন সব গাছের গোড়া কাটা
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার সিমলা গ্রামে গত মঙ্গলবার রাতে আট কৃষকের ছয় বিঘা জমির পটলগাছ কেটে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল বুধবার সকালে কৃষকেরা ক্ষেতে গিয়ে গোড়া কাটা পটলগাছ দেখে নির্বাক হয়ে যান। ঋণ করে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে তাঁরা অনেক যত্নে এই গাছ ফলিয়েছেন। কিন্তু ফসল ঘরে তোলার সময়ে দুর্বৃত্তরা তাঁদের এই সর্বনাশ করেছে।
জানা গেছে, দুর্বর্ৃত্তরা সিমলা গ্রামের ছয়জন কৃষকের ক্ষেতের পটল গাছের গোড়া কেটে দিয়েছে। এরা হলেন সিমলা রোকনপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবুল কাশেমের ১৬ শতক, বিএনপির কর্মী হাবিবুর রহমানের ১৭ শতক, আবু বক্কর বিশ্বাসের ৩৩ শতক, আবুল হোসেনের ৩৩ শতক, রহমত খন্দকারের ১৭ শতক, সিরাজ মণ্ডলের ১৭ শতক, মকবুল হোসেনের ১৫ শতক ও রবিউল ইসলামের ২০ শতক জমির ফসল কেটে দিয়েছে।
গতকাল সিমলা গ্রামে ওই কৃষকদের পটলক্ষেতে গিয়ে দেখা যায়, কোনো গাছেরই গোড়া অক্ষত নেই; ছয় বিঘা জমির সব গাছ কাটা। দরিদ্র কৃষক রবিউল কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, �আমাদের অপরাধ আমরা সবাই বিএনপির রাজনীতি করি। তাই আমাদের আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা গাছ কেটে দিয়েছে।
রবিউল জানান, ভিটাবাড়ি ছাড়া তাঁর কোনো জমি নেই। অন্যের কাছ থেকে ২০ শতক জমি বন্ধক নিয়ে ২০ হাজার টাকা ঋণ করে পটলের চাষ করেন। এখন তাঁর যে ক্ষতি হলো, তা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব নয়।
কাশেম জানান, সকালে তাঁরা পটলক্ষেতে গিয়ে দেখতে পান, সব গাছ কাটা। রাতে কে বা কারা গাছ কেটে দিয়েছে। তাঁর দাবি, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা তাঁদের নানাভাবে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। এর আগে আওয়ামী লীগের কর্মীরা তাঁদের বেশ কয়েকজন কর্মীকে মারধর করে। তাঁদের মধ্যে দুজন এখনো অসুস্থ হয়ে বিছানায় পড়ে আছেন।
কাশেম আরও দাবি করেন, তাঁদের জমির পাশের জমিগুলো আওয়ামী লীগের সমর্থকদের। তাঁরাও পটলের চাষ করেছেন। কিন্তু তাঁদের ক্ষেতগুলোর গাছ কাটা হলো না, শুধু বিএনপিকর্মীদের গাছ কাটা হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা বলেন, এ ব্যাপারে তাঁরা থানায় মামলা করতে ভয় পাচ্ছেন। তাঁরা অভিযোগ করেন, এর আগে মারপিট করে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার পরও পুলিশ তাঁদের মামলা নেয়নি। এখন মামলা দিতে গেলেও পুলিশ নেবে না; বরং প্রতিপক্ষরা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে বড় রকমের ক্ষতি করবে।
সিমলা রোকনপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নাজির উদ্দিন বলেন, �আগের মারধর ও গাছ কাটার ঘটনা রাতে ঘটেছে। কে বা কারা ওই ঘটনা ঘটিয়েছে, তা আমি জানি না। আওয়ামী লীগের কেউ ওই দুটি ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়।
যোগাযোগ করা হলে কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদি হাসান বলেন, �গাছ কাটার বিষয়ে আমাদের কেউ জানায়নি। মামলা প্রসঙ্গে বলেন, �কেউ যদি না আসে, আমরা গিয়ে তো মামলা করতে পারি না।
সূত্রঃ http://www.prothom-alo.com/index.news.d … d=MjQ2NjQ=
যে সহশীলতা আর সৌন্দর্যের গুনে ইসলাম পৃথিবী জয় করেছিলো,
সেই সহনশীলতা আর সৌন্দর্য আজকের মুসলমানদের ভেতরে অনুপস্থিত! আফসোস!!
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন